Just another WordPress site

অনন্য প্রজাতির “মাশরুম”, যা পাহাড়ী উপত্যকাকে বর্ণিল আলোয় উজ্জ্বল করে!

Another species of "mushroom", which shines in the colorful light in the mountain valleys!

0 1,065

পৃথিবীতে উদ্ভিদে এবং জীবনের বিভিন্নতা এবং পরিবর্তনশী। উদ্ভিদ বৈচিত্র্য হ’ল সাধারণত, এক বাস্তুতন্তের পরিমাপ। যা মানুষকে বার বার আকর্ষণ করেছে । অবশ্যই মাশরুম সম্পর্কে অনেকেই শুনেছেন, যা পৃথিবীর অনেক অঞ্চলে খাওয়া হয়। তবে কখনও কি সুনেছেন, আলোকিত মাশরুম অথবা দেখেছেন?। যার আলোর সাহায্যে আশেপাশের অঞ্চল আলোকিত হয়ে উঠে।The name Mycena

ভারতের গোয়ার বনাঞ্চলে “এই জাতীয় আলোকিত মাশরুমের দেখা” মেলে। যার সুবাদে পুরো পর্বতটি রাতের অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে। আজ এমনি এক অনন্য মাশরুম সম্পর্কে বলবো। এটি এমন একটি প্রজাতির মাশরুম যা আলো প্রদান করে এবং “এই মাশরুমকে বলা হয় বায়ো লুমিনসেন্ট” (Bioluminescence)।

Unique species of mushroom mycena genus

অনন্য প্রজাতির “মাশরুম”

বিরল প্রজাতির এই মাশরুম শতাব্দী প্রাচীন, যা গোয়ার মহাদেই ওয়াইল্ডলাইফ (Mhadei Wildlife Sanctuary) পাওয়া যায়। এই মাশরুমের বিশেষত্ব রাতের অন্ধকারে হালকা নীল-সবুজ রঙে জ্বলজ্বল করে। এই মাশরুমের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হ’ল, এটি দিনের বেলায় সাধারণ মাশরুমের মতোই দেখতে লাগে। তবে রাতে এটি থেকে আলো বেরোতে শুরু করে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা এই প্রজাতির মাশরুমকে মাইসেনা জেনাস (mycena genus) বলে।

 mushroom mycena genus

এই ছত্রাক ফক্সফায়ার নামেও পরিচিত

গোয়ার মহাদেই ওয়াইল্ডলাইফ(Mhadei Wildlife Sanctuary), সাধারণত ৩৩ টিরও বেশি প্রজাতি মাশরুম, যা বায়োলুমিনসেন্ট হিসাবে এবং ফক্সফায়ার নামেও পরিচিত। এই ছত্রাক এক প্রকারের আভা তৈরি করে। যা উল্লেখযোগ্যভাবে এই অঞ্চলে বৃদ্ধি পায়। এই অনন্য মাশরুমটি দেখতে পাওয়া খুব কঠিন নয়। এই মাশরুমগুলিকে দেখার জন্য রাতে জঙ্গলে যেতে হবে। তাছাড়া এই মাশরুমগুলি ২১ থেকে ২৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় মধ্যে জন্মায়।

mycena genus,Bioluminescence
স্থানীয়দের এই জাতীয় মাশরুম সম্পর্কে তাদের আগে কোনো ধারণা ছিল না। অতীতে কোনো এক ব্যেক্তি যখন রাতে মাশরুমগুলি প্রথম জ্বলজ্বল করতে দেখে তখন তিনি হতবাক হয়ে যায়। এই মাশরুম গুলো থেকে সবুজ এবং নীল আলো বেরোচ্ছিল।

মাইসেনা জেনাস

Mycena chlorophos

মাইসেনা ক্লোরোফোস, যা মাইসেনেসি পরিবারে এক প্রজাতির ফাঙ্গাস। যা সর্বপ্রথম ১৮৬০ সালে আবিষ্কৃত। ছত্রাকটি অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, জাপান, তাইওয়ান, পলিনেশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা সহ এশিয়ার বেশ কিছু স্থানে দেখতে পাওয়া যায়। পরীক্ষামূলক ভাবে গবেষণায় দেখা গেছে যে ছত্রাকগুলি রখুব বেশি আদ্রতায় তাদের আকৃতি নষ্ট হয়ে যায় ।

মাইসেনা  (Mycena chlorophos) সাধারণত, বনাঞ্চলে যেখানে গাছের ধ্বংসাবশেষ, বা গাছের ডাল এবং বাকলের উপর জন্মায়।

More posts:-

Manas national park প্রাকৃতিক এবং জীববৈচিত্রে ঐতিহ্যবাহী স্থান

Red Zone in the world-শতবর্ষ ধরে এই স্থানে শুধু মানুষই নয়, প্রাণীদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ!

Leave A Reply

Your email address will not be published.