Just another WordPress site

Red Zone in the world-শতবর্ষ ধরে এই স্থানে শুধু মানুষই নয়, প্রাণীদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ!

Red Zone in the world-For centuries, not only humans but also animals have been forbidden to enter place.

0 253

Red Zone in the world – শতবর্ষ ধরে বিশ্বের এই বিপজ্জনক স্থানে শুধু মানুষই নয়, প্রাণীদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ ।

অবশ্যই বিশ্বের যে কোন স্থানে নিদ্বিধায় যাওয়ার কিছু উপায় রয়েছে এবং যেখানে সেখানে মানুষ অনুসন্ধান ও তথ্য সংগ্রহ করে যেতে পারে। তবে পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে সহজেই ট্রাভেল করা যেতে পারে, তবে যেতে দেওয়া হয় না। আজ আমরা এমনই একটি জায়গার সমন্ধে উল্লেখ করতে যাচ্ছি, যেখানে শতবর্ষ ধরে কেউ যায়নি। মানুষ কেন এখানে কোনো প্রাণীর ও যাবার অনুমতি নেই। ফ্রান্সের (France) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এমনি এক জায়গাতে লোকেরা আসে না, জায়গাটির সমন্ধে একটি ভয়ঙ্কর গল্প রয়েছে, যা আপনাকে অবাক করে দেবে ।

এই জায়গাটির নাম ‘জোন রুজ’(Zone Rouge)। স্থানটি এতটাই বিপজ্জনক যে এখানে ‘ডেন্জের জোন’ বোর্ড লাগানো আছে। স্থানটি এমনভাবে সুরক্ষিত করা হয়েছে যাতে কেউ ভুল করেও এই জায়গাটির আশেপাশে না আসতে পারে। তবে কেউ এই সতর্কবাণী উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়ার ভুল করবেন না। এই জায়গাটি ফ্রান্সের বাকী অংশ থেকে আলাদা করে রাখা হয়েছে, যাতে কেউ এখানে কোনো প্রকারে না আসতে পারে।

 

Red Zone in the world এই জায়গাটি ‘রেড জোন'(Red Zone) নামেও পরিচিত। কথিত আছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের(First World War) আগে এই অঞ্চলে মোট নয়টি গ্রাম ছিল এবং সেখানকার মানুষের জীবিকা নির্বাহ করতো কৃষিকাজ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়, এই অঞ্চলে এতগুলি বোমা পড়েছিল যে পুরো অঞ্চলটি ধ্বংস হয়ে যায়। এই অঞ্চলের জমি, মূলত ১,২০০ বর্গকিলোমিটার এর বেশি ছিল। এখানকার বহু মানুষ মারা গিয়েছিলেন এবং এই জায়গাটি বেঁচে থাকার উপযুক্ত ছিল না।

কথিত আছে যে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক ও যুদ্ধ উপাদান এই অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। যার কারণে এখানকার জমি বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, এখানকার জলে প্রাণঘাতী উপাদানও পাওয়া যায়। যেহেতু এই অঞ্চলটি অনেক বড় এবং সমগ্র অঞ্চলের জমি এবং জলাশয় রাসায়নিক মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফরাসী আইনের অধীনে, “জোন রুজে” আবাসন এবং কৃষিকাজ এবং এখানে কোনো মানুষ বা প্রাণীর আগমন, স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

২০০৪ সালে, এখানকার মাটি এবং জল পরীক্ষা করা হয়েছিল। যেখানে প্রচুর পরিমাণে আর্সেনিক পাওয়া গেছে। আর্সেনিক এমন একটি বিষাক্ত পদার্থ, যদি অল্প পরিমাণে ভুল করে মানুষ গ্রহণ করে তবে কয়েক ঘন্টার মধ্যে ব্যেক্তি মারাও যেতে পারে। এখানে প্রতি বছর কয়েক টন জঞ্জাল উদ্ধার করা হয়। সিকিউরিটি সিভিল এজেন্সি (Securite Civile agency ) ইনচার্জের মতে, এই অঞ্চলটি পুরোপুরি পরিষ্কার করার জন্য ৩০০ বছর সময় লাগবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.